ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । ০৮:২৩ মিনিট

পান্ডামার্টের লেনদেন ঘিরে মামলা, ফুডপান্ডার ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

পান্ডামার্টের লেনদেন ঘিরে মামলা, ফুডপান্ডার ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা পৃথক দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

পরোয়ানা পাওয়া অন্যরা হলেন ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক। তাবারেজ খান ভারতীয় নাগরিক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির। তিনি গত বছরের ৩ জুলাই ফুডপান্ডার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেন। পরে আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গুলশান থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তদন্ত শেষে দুটি মামলায় গুলশান থানার এসআই মো. মশিউর রহমান ও এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন পৃথক প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দেশীয় ও আমদানি করা সবজি ও ফলমূল সরবরাহ শুরু করেন শিহাব মাহমুদ বশির। তার অভিযোগ, ব্যবসার শুরুতে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে অর্থ পরিশোধে অনিয়ম করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এক লাখ টাকার পণ্য সরবরাহের বিপরীতে কখনো কখনো ব্যাংক হিসাবে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকা জমা দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভুয়া ব্যক্তির স্বাক্ষর ব্যবহার এবং একাধিক ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরির মাধ্যমে পণ্য ফেরত দেখিয়ে পাওনা অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, এসব ঘটনায় দুই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিষয় : ফুডপান্ডা পরোয়ানা পান্ডামার্ট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পান্ডামার্টের লেনদেন ঘিরে মামলা, ফুডপান্ডার ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা পৃথক দুই মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

পরোয়ানা পাওয়া অন্যরা হলেন ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক। তাবারেজ খান ভারতীয় নাগরিক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির। তিনি গত বছরের ৩ জুলাই ফুডপান্ডার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেন। পরে আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে গুলশান থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তদন্ত শেষে দুটি মামলায় গুলশান থানার এসআই মো. মশিউর রহমান ও এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন পৃথক প্রতিবেদন দাখিল করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মফিজুল ইসলাম জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দেশীয় ও আমদানি করা সবজি ও ফলমূল সরবরাহ শুরু করেন শিহাব মাহমুদ বশির। তার অভিযোগ, ব্যবসার শুরুতে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তী সময়ে অর্থ পরিশোধে অনিয়ম করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এক লাখ টাকার পণ্য সরবরাহের বিপরীতে কখনো কখনো ব্যাংক হিসাবে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকা জমা দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভুয়া ব্যক্তির স্বাক্ষর ব্যবহার এবং একাধিক ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরির মাধ্যমে পণ্য ফেরত দেখিয়ে পাওনা অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, এসব ঘটনায় দুই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত