স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের আকস্মিক মৃত্যুতে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন তার ব্যাচমেট ও ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আফসারের সঙ্গে মৃত্যুর মাত্র দুই দিন আগে দেখা হওয়ার স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি।
ফরিদা খানম জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গান লাইসেন্সসংক্রান্ত কাজে তার অফিসে এসেছিলেন আশরাফুল আফসার। কাজের ফাঁকে তাদের দীর্ঘ সময় গল্প হয় এবং একসঙ্গে দুপুরের খাবারও খান তারা।
স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, খাবারের সময় আফসার তার পদোন্নতি না হওয়ার কষ্টের কথা শেয়ার করেছিলেন। তাকে পরবর্তী পর্যালোচনায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন ফরিদা খানম।
আফসারের বিনয়ী আচরণের কথাও পোস্টে তুলে ধরেন তিনি। ফরিদা খানম লেখেন, অফিসে কোনো সিনিয়র কর্মকর্তা এলে তিনি উঠে দাঁড়াতেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে আফসার বলেছিলেন, এটি ‘চেয়ারের রেসপেক্ট’।
প্রায় বিকেল ৪টার দিকে অফিস থেকে চলে যাওয়ার সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে একটি উপহার দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বার্তা দিয়ে উপহারটি তার স্ত্রী ও সন্তানদের পছন্দ হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন আফসার।
মৃত্যুর মাত্র দুই দিন আগে দেখা হওয়া সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে ফরিদা খানম আবেগঘন পোস্টে লেখেন, এত তাজা স্মৃতির পরও প্রিয় ব্যাচমেটকে এভাবে হারাতে হবে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি আশরাফুল আফসারের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বিষয় : ডিসি ফরিদা খানম

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারের আকস্মিক মৃত্যুতে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন তার ব্যাচমেট ও ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আফসারের সঙ্গে মৃত্যুর মাত্র দুই দিন আগে দেখা হওয়ার স্মৃতি তুলে ধরেন তিনি।
ফরিদা খানম জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গান লাইসেন্সসংক্রান্ত কাজে তার অফিসে এসেছিলেন আশরাফুল আফসার। কাজের ফাঁকে তাদের দীর্ঘ সময় গল্প হয় এবং একসঙ্গে দুপুরের খাবারও খান তারা।
স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, খাবারের সময় আফসার তার পদোন্নতি না হওয়ার কষ্টের কথা শেয়ার করেছিলেন। তাকে পরবর্তী পর্যালোচনায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন ফরিদা খানম।
আফসারের বিনয়ী আচরণের কথাও পোস্টে তুলে ধরেন তিনি। ফরিদা খানম লেখেন, অফিসে কোনো সিনিয়র কর্মকর্তা এলে তিনি উঠে দাঁড়াতেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে আফসার বলেছিলেন, এটি ‘চেয়ারের রেসপেক্ট’।
প্রায় বিকেল ৪টার দিকে অফিস থেকে চলে যাওয়ার সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে একটি উপহার দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বার্তা দিয়ে উপহারটি তার স্ত্রী ও সন্তানদের পছন্দ হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন আফসার।
মৃত্যুর মাত্র দুই দিন আগে দেখা হওয়া সেই স্মৃতির কথা উল্লেখ করে ফরিদা খানম আবেগঘন পোস্টে লেখেন, এত তাজা স্মৃতির পরও প্রিয় ব্যাচমেটকে এভাবে হারাতে হবে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।
পোস্টের শেষাংশে তিনি আশরাফুল আফসারের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন