ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬। ০৩:২০ মিনিট

আদালত থেকে আবারও পালাল হত্যা মামলার আসামি, কাঠগড়ায় ঝুলল হ্যান্ডক্যাপ

আদালত থেকে আবারও পালাল হত্যা মামলার আসামি, কাঠগড়ায় ঝুলল হ্যান্ডক্যাপ

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের এজলাস থেকে হ্যান্ডক্যাপ খুলে পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার আসামি মো. শরিফুল ইসলাম (২৮)। এর আগে ২০২৫ সালেও একবার আদালত থেকে পালিয়েছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সিএমএম আদালতের ৭ নম্বর এজলাসে এ ঘটনা ঘটে। পলাতক শরিফুল ইসলাম দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামের মৃত শফিক আহমেদের ছেলে।

জানা যায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করেন। আদালতের ডিউটি বণ্টন অনুযায়ী কনস্টেবল মো. আব্দুল আলিম (বিপি-৮৮০৮১২০৯৬২) তাকে আদালতে হাজির করার দায়িত্বে ছিলেন। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি শরিফুলকে সিএমএম আদালতের ৭ নম্বর এজলাসে নিয়ে যান।

আদালতে শরিফুলের এক হাতের হ্যান্ডক্যাপ কাঠগড়ার শিকের সঙ্গে এবং অপর অংশ তার হাতে লাগানো ছিল। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কনস্টেবল এজলাসের সামনের বারান্দায় অবস্থান নেন।

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কনস্টেবল এজলাসে ফিরে এসে দেখতে পান, শরিফুল সেখানে নেই। কাঠগড়ার শিকের সঙ্গে শুধু হ্যান্ডক্যাপটি ঝুলছে। ধারণা করা হচ্ছে, হ্যান্ডক্যাপ খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, আদালত চত্বর থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলাসহ সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাসহ পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিষয় : পালাল হত্যা মামলার আসামি হ্যান্ডক্যাপ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


আদালত থেকে আবারও পালাল হত্যা মামলার আসামি, কাঠগড়ায় ঝুলল হ্যান্ডক্যাপ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের এজলাস থেকে হ্যান্ডক্যাপ খুলে পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার আসামি মো. শরিফুল ইসলাম (২৮)। এর আগে ২০২৫ সালেও একবার আদালত থেকে পালিয়েছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সিএমএম আদালতের ৭ নম্বর এজলাসে এ ঘটনা ঘটে। পলাতক শরিফুল ইসলাম দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামের মৃত শফিক আহমেদের ছেলে।

জানা যায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করেন। আদালতের ডিউটি বণ্টন অনুযায়ী কনস্টেবল মো. আব্দুল আলিম (বিপি-৮৮০৮১২০৯৬২) তাকে আদালতে হাজির করার দায়িত্বে ছিলেন। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি শরিফুলকে সিএমএম আদালতের ৭ নম্বর এজলাসে নিয়ে যান।

আদালতে শরিফুলের এক হাতের হ্যান্ডক্যাপ কাঠগড়ার শিকের সঙ্গে এবং অপর অংশ তার হাতে লাগানো ছিল। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কনস্টেবল এজলাসের সামনের বারান্দায় অবস্থান নেন।

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কনস্টেবল এজলাসে ফিরে এসে দেখতে পান, শরিফুল সেখানে নেই। কাঠগড়ার শিকের সঙ্গে শুধু হ্যান্ডক্যাপটি ঝুলছে। ধারণা করা হচ্ছে, হ্যান্ডক্যাপ খুলে আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, আদালত চত্বর থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলাসহ সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাসহ পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত