ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দোকানদার মনির হোসেন (৫৫)কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাত ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।
আটককৃত মনির হোসেনের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায়। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যার কৈবর্তপাড়া এলাকায় আল মদিনা মার্কেট-এ বসবাস করেন।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটি খেলাধুলার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে বিকেল পর্যন্ত ফিরে না আসায় তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এসময় স্থানীয় দোকানদার মনির হোসেন শিশুটিকে খুঁজে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সন্ধ্যার দিকে শিশুটি বাসায় ফিরে এলেও তার আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয় পরিবারের সদস্যদের।
পরের দিন বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার মা ও পরিবারের সদস্যের কাছে বলেন, মনির হোসেন তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের দোকানের ভেতর নিয়ে শাটার বন্ধ করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন।
এরপর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই রাত ৮টায় দোকানদার মনির হোসেনকে আটক করি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিষয় : আটক কেরানীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দোকানদার মনির হোসেন (৫৫)কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাত ৯টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।
আটককৃত মনির হোসেনের বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায়। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যার কৈবর্তপাড়া এলাকায় আল মদিনা মার্কেট-এ বসবাস করেন।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটি খেলাধুলার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে বিকেল পর্যন্ত ফিরে না আসায় তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এসময় স্থানীয় দোকানদার মনির হোসেন শিশুটিকে খুঁজে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সন্ধ্যার দিকে শিশুটি বাসায় ফিরে এলেও তার আচরণ অস্বাভাবিক মনে হয় পরিবারের সদস্যদের।
পরের দিন বুধবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার মা ও পরিবারের সদস্যের কাছে বলেন, মনির হোসেন তাকে প্রলোভন দেখিয়ে নিজের দোকানের ভেতর নিয়ে শাটার বন্ধ করে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন।
এরপর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই রাত ৮টায় দোকানদার মনির হোসেনকে আটক করি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন