ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬। ০৬:৩০ মিনিট

২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট হবে সংসদ ভবনে

২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট হবে সংসদ ভবনে

২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বিরতিহীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের পুরো কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের সুবিধাও থাকবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে এসব তথ্য দেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এর আগে তিনি সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক সভায় অংশ নেন।

ইসি সচিব জানান, সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটগ্রহণের সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অনির্ধারিত কারণে কিছুটা দেরিতে পৌঁছালেও যাতে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচনে ভোটার হিসেবে সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। প্রতিটি ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি ও মূল ব্যালট।

ব্যালটের মুড়ি অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত ঘর থাকবে। মূল ব্যালটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন।

সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য অধিবেশন কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে। ভোটাররা এর যেকোনো একটিতে তাদের ব্যালট জমা দিতে পারবেন।

আখতার আহমেদ জানান, বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর অধিবেশন কক্ষেই ব্যালট বাক্সের সামনে ভোট গণনা শুরু হবে। চার বা পাঁচ সদস্যের একটি গণনা দল ব্যালট যাচাই ও গণনার কাজ সম্পন্ন করবে।

মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা অধিবেশন কক্ষেই সবার সামনে ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে ফলাফলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

ইসি সচিব আরও জানান, অধিবেশন কক্ষ থেকে ভোটগ্রহণের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে। সাংবাদিকদের জন্যও নির্ধারিত স্থান রাখা হবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের ২০ কর্মকর্তাকে বিশেষ পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। ফলে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট বা সিদ্ধান্ত নিলে তার সদস্যপদ বাতিল হতে পারে।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ফলে এবারের নির্বাচনে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিষয় : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট হবে সংসদ ভবনে

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বিরতিহীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের পুরো কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের সুবিধাও থাকবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে এসব তথ্য দেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এর আগে তিনি সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুতিমূলক সভায় অংশ নেন।

ইসি সচিব জানান, সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটগ্রহণের সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাখা হয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অনির্ধারিত কারণে কিছুটা দেরিতে পৌঁছালেও যাতে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচনে ভোটার হিসেবে সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তাদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। প্রতিটি ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি ও মূল ব্যালট।

ব্যালটের মুড়ি অংশে প্রার্থীর ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর ও স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত ঘর থাকবে। মূল ব্যালটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন।

সংসদ সদস্যদের সুবিধার জন্য অধিবেশন কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হবে। ভোটাররা এর যেকোনো একটিতে তাদের ব্যালট জমা দিতে পারবেন।

আখতার আহমেদ জানান, বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর অধিবেশন কক্ষেই ব্যালট বাক্সের সামনে ভোট গণনা শুরু হবে। চার বা পাঁচ সদস্যের একটি গণনা দল ব্যালট যাচাই ও গণনার কাজ সম্পন্ন করবে।

মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে কতটি বৈধ বা বাতিল হয়েছে এবং কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা অধিবেশন কক্ষেই সবার সামনে ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে ফলাফলের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

ইসি সচিব আরও জানান, অধিবেশন কক্ষ থেকে ভোটগ্রহণের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে। সাংবাদিকদের জন্যও নির্ধারিত স্থান রাখা হবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের ২০ কর্মকর্তাকে বিশেষ পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।

এদিকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। ফলে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট বা সিদ্ধান্ত নিলে তার সদস্যপদ বাতিল হতে পারে।

ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি পদে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ফলে এবারের নির্বাচনে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত