দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি বেড়ে ৯১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবটি রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৬ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৯ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ দুই ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা মিলিয়ে মোট প্রাণহানি ৯১৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছেন আরও ৯৮১ জন।
এ সময়ে ৯২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর চিকিৎসা শেষে ৯৭৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ জনের।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া সাত শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের পাঁচজন এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারাবাহিক আপডেটে দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন ধরেই হামের উপসর্গে দৈনিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এর আগে ১৬ আগস্টের প্রতিবেদনে আরও ছয় শিশুর মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। ফলে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : হামে শিশু মৃত্যু

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
দেশে হাম পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গে মোট প্রাণহানি বেড়ে ৯১৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবটি রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৬ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৯ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ দুই ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা মিলিয়ে মোট প্রাণহানি ৯১৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছেন আরও ৯৮১ জন।
এ সময়ে ৯২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর চিকিৎসা শেষে ৯৭৪ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৯৩০ জনের।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে মারা যাওয়া সাত শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগের পাঁচজন এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারাবাহিক আপডেটে দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন ধরেই হামের উপসর্গে দৈনিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এর আগে ১৬ আগস্টের প্রতিবেদনে আরও ছয় শিশুর মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। ফলে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন