ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬। ০৪:৩৮ মিনিট

ঢাকার চারপাশে ৮ লেনের সড়ক, আসছে বড় পরিবর্তন

ঢাকার চারপাশে ৮ লেনের সড়ক, আসছে বড় পরিবর্তন

রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো, যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা এবং নগরীর পরিবেশ রক্ষায় ঢাকার চারদিকে আট লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে রাজধানীর চারপাশের নদী-খাল রক্ষা ও দখলমুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে দিরাই খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রাজধানীর চারপাশের নদী ও খালগুলো পরিকল্পিতভাবে সংস্কার এবং দখলমুক্ত করা গেলে নৌপথের পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগেও মানুষের সুবিধা বাড়বে। ঢাকার চারদিকে আট লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরীর পরিবেশ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল রক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ‘ক্লিন বাংলাদেশ’ ও ‘গ্রিন বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার সড়ক বা রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে রাজধানীর যানজট কমাতে আউটার, মিডল ও ইনার রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। আউটার রিং রোডের একটি প্রস্তাবিত নকশায় সাভারের হেমায়েতপুর, কেরানীগঞ্জ, মদনপুর, ভুলতা, গাজীপুরের কড্ডা ও বাইপাইল হয়ে আবার হেমায়েতপুরে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল।

আগের পরিকল্পনায় আউটার রিং রোডের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩২-১৩৩ কিলোমিটার এবং এর বড় একটি অংশ আট লেনে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছিল। হেমায়েতপুর থেকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় ৪৮ কিলোমিটার অংশ নিয়ে আলাদাভাবে কাজের পরিকল্পনাও ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীকে ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তঃজেলা যানবাহনকে ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে রাজধানীর ওপর যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমতে পারে।

তবে নতুন করে আলোচনায় আসা আট লেনের সড়কের দৈর্ঘ্য, সুনির্দিষ্ট রুট, ব্যয় কিংবা নির্মাণের সময়সীমা এখনো চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই এসব বিষয়ে আগের প্রকল্পের তথ্যকে বর্তমান পরিকল্পনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

রাজধানীর সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদী-খাল রক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে এগোনোর কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে জলাধার ও নৌপথ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিষয় : ৮ লেনের সড়ক রাজধানী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঢাকার চারপাশে ৮ লেনের সড়ক, আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো, যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা এবং নগরীর পরিবেশ রক্ষায় ঢাকার চারদিকে আট লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে রাজধানীর চারপাশের নদী-খাল রক্ষা ও দখলমুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে দিরাই খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রাজধানীর চারপাশের নদী ও খালগুলো পরিকল্পিতভাবে সংস্কার এবং দখলমুক্ত করা গেলে নৌপথের পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগেও মানুষের সুবিধা বাড়বে। ঢাকার চারদিকে আট লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরীর পরিবেশ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল রক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সরকার ‘ক্লিন বাংলাদেশ’ ও ‘গ্রিন বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার সড়ক বা রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে রাজধানীর যানজট কমাতে আউটার, মিডল ও ইনার রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। আউটার রিং রোডের একটি প্রস্তাবিত নকশায় সাভারের হেমায়েতপুর, কেরানীগঞ্জ, মদনপুর, ভুলতা, গাজীপুরের কড্ডা ও বাইপাইল হয়ে আবার হেমায়েতপুরে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল।

আগের পরিকল্পনায় আউটার রিং রোডের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩২-১৩৩ কিলোমিটার এবং এর বড় একটি অংশ আট লেনে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছিল। হেমায়েতপুর থেকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় ৪৮ কিলোমিটার অংশ নিয়ে আলাদাভাবে কাজের পরিকল্পনাও ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজধানীকে ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক বাস্তবায়ন করা গেলে আন্তঃজেলা যানবাহনকে ঢাকার ভেতরে প্রবেশ না করেই এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে রাজধানীর ওপর যানবাহনের চাপ কমার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমতে পারে।

তবে নতুন করে আলোচনায় আসা আট লেনের সড়কের দৈর্ঘ্য, সুনির্দিষ্ট রুট, ব্যয় কিংবা নির্মাণের সময়সীমা এখনো চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই এসব বিষয়ে আগের প্রকল্পের তথ্যকে বর্তমান পরিকল্পনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

রাজধানীর সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি নদী-খাল রক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে এগোনোর কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে জলাধার ও নৌপথ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত