ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ০৪:৪৬ মিনিট

দুই দেশের স্বার্থেই ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান: দীনেশ ত্রিবেদী

দুই দেশের স্বার্থেই ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সব আলোচনা চলতে থাকবে।’

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনসহ সংসদীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।’

ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দুই দেশের সংসদ কিভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক কিভাবে আরো উন্নত করা যায়, সেটিও আলোচনায় এসেছে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলবে। আর এটাই গণতন্ত্র।

এ সময় বর্তমান স্পিকারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং ভালো ফুটবলার।

এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

সাক্ষাতে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সব সময় নানা টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ঐতিহাসিক এই সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে।’ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্রের পথচলা সুগম হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, ‘শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল। এখন দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকার আগ্রহী। জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তারে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট ও পুনর্বাসন, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিষয় : দীনেশ ত্রিবেদী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দুই দেশের স্বার্থেই ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সফর করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে।

দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে সব আলোচনা চলতে থাকবে।’

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনসহ সংসদীয় পর্যায়ে সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।’

ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দুই দেশের সংসদ কিভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক কিভাবে আরো উন্নত করা যায়, সেটিও আলোচনায় এসেছে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলবে। আর এটাই গণতন্ত্র।

এ সময় বর্তমান স্পিকারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং ভালো ফুটবলার।

এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

সাক্ষাতে স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক সব সময় নানা টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ঐতিহাসিক এই সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে।’ ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পুনরায় গণতন্ত্রের পথচলা সুগম হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্পিকার বলেন, ‘শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক ছিল। এখন দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জবাবে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে ভারত সরকার আগ্রহী। জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তারে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়, রোহিঙ্গা সংকট ও পুনর্বাসন, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত