থাইল্যান্ডের বিদ্রোহপ্রবণ দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র হামলায় পাঁচজন আধাসামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় নারাথিওয়াত প্রদেশের বুকেতা সামি চেকপয়েন্টে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনীর ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড (রিজিয়ন-৪) জানায়, কালো পোশাক ও টুপি পরা প্রায় ১০ জন সশস্ত্র হামলাকারী একটি পিকআপ ট্রাক ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা টাস্ক ফোর্স রেঞ্জার রেজিমেন্ট-৪৫-এর সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে এবং পাইপ বোমা নিক্ষেপ করে। হামলার পর তারা চেকপয়েন্ট থেকে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে হামলায় ব্যবহৃত পিকআপ ট্রাকটি পরিত্যক্ত ও আগুনে পোড়া অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানায়নি থাই কর্তৃপক্ষ।
থাই সরকার এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এটি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও দক্ষিণাঞ্চলের চলমান শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য বড় ধরনের হুমকি। অন্যদিকে সেনাবাহিনী নিহত সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছে, দেশের নিরাপত্তায় তাদের আত্মত্যাগ সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা হবে।
বিষয় : থাইল্যান্ড

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
থাইল্যান্ডের বিদ্রোহপ্রবণ দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে সশস্ত্র হামলায় পাঁচজন আধাসামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় নারাথিওয়াত প্রদেশের বুকেতা সামি চেকপয়েন্টে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনীর ইন্টারনাল সিকিউরিটি অপারেশনস কমান্ড (রিজিয়ন-৪) জানায়, কালো পোশাক ও টুপি পরা প্রায় ১০ জন সশস্ত্র হামলাকারী একটি পিকআপ ট্রাক ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা টাস্ক ফোর্স রেঞ্জার রেজিমেন্ট-৪৫-এর সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে এবং পাইপ বোমা নিক্ষেপ করে। হামলার পর তারা চেকপয়েন্ট থেকে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে হামলায় ব্যবহৃত পিকআপ ট্রাকটি পরিত্যক্ত ও আগুনে পোড়া অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্যও জানায়নি থাই কর্তৃপক্ষ।
থাই সরকার এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এটি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও দক্ষিণাঞ্চলের চলমান শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য বড় ধরনের হুমকি। অন্যদিকে সেনাবাহিনী নিহত সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছে, দেশের নিরাপত্তায় তাদের আত্মত্যাগ সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন