ঢাকার কণ্ঠ

গাজায় হামলায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রধানের ছেলের

গাজায় হামলায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রধানের ছেলের

গাজা উপত্যকায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশের ছেলে বাসির আল-বুরশ রয়েছেন।

চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের পশ্চিমে আল-জাহরা এলাকায় একটি হামলায় বাসির নিহত হন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, তারা ওই এলাকায় কয়েকজন যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছিল এবং বাসির তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিলেন বলে দাবি করেছে। তবে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি তারা।

বাসিরের মরদেহ গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার বাবা মুনির আল-বুরশকে ছেলের মরদেহের পাশে দেখা যায়। রয়টার্সের পাওয়া ভিডিওতেও তার শোকের দৃশ্য উঠে এসেছে। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরেও ইসরায়েলি হামলায় নিজের এক মেয়েকে হারিয়েছিলেন মুনির আল-বুরশ; ওই ঘটনায় তিনিও আহত হয়েছিলেন।

এদিকে গাজার শুজাইয়া এলাকায় আরেক হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের উত্তরে আগে গুলিবিদ্ধ এক কিশোরী পরে হাসপাতালে মারা যান বলে আলজাজিরা জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলা ও গুলিতে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান যুদ্ধে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজারের বেশি হয়েছে। এসব সংখ্যা গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো সূত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিষয় : নিহত গাজায় হামলা নিহত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গাজায় হামলায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রধানের ছেলের

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশের ছেলে বাসির আল-বুরশ রয়েছেন।

চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের পশ্চিমে আল-জাহরা এলাকায় একটি হামলায় বাসির নিহত হন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, তারা ওই এলাকায় কয়েকজন যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছিল এবং বাসির তাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিলেন বলে দাবি করেছে। তবে হামলার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি তারা।

বাসিরের মরদেহ গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার বাবা মুনির আল-বুরশকে ছেলের মরদেহের পাশে দেখা যায়। রয়টার্সের পাওয়া ভিডিওতেও তার শোকের দৃশ্য উঠে এসেছে। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরেও ইসরায়েলি হামলায় নিজের এক মেয়েকে হারিয়েছিলেন মুনির আল-বুরশ; ওই ঘটনায় তিনিও আহত হয়েছিলেন।

এদিকে গাজার শুজাইয়া এলাকায় আরেক হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের উত্তরে আগে গুলিবিদ্ধ এক কিশোরী পরে হাসপাতালে মারা যান বলে আলজাজিরা জানিয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলা ও গুলিতে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান যুদ্ধে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজারের বেশি হয়েছে। এসব সংখ্যা গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো সূত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত