ঢাকার কণ্ঠ

যে ঘটনার পর বদলে যায় পুরো পৃথিবী, সেই দিন আজ

যে ঘটনার পর বদলে যায় পুরো পৃথিবী, সেই দিন আজ

আজ ২৩ আগস্ট। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে দিনটি পরিচিত ইন্টারনট ডে হিসেবে। প্রায় তিন দশকের বেশি সময় আগে এই দিনেই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পথ তৈরি হয়। আর সেই ঘটনাই বদলে দেয় মানুষের তথ্য খোঁজা, যোগাযোগ ও জ্ঞান আদান-প্রদানের পদ্ধতি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লির নাম। তিনি ১৯৮৯ সালে CERN-এ গবেষকদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি আন্তঃসংযুক্ত তথ্যব্যবস্থার প্রস্তাব দেন। পরে তিনি ওয়েবের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও কাঠামো তৈরি করেন।

১৯৯০ সালের শেষ দিকে প্রথম ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ব্রাউজার তৈরি হয়। CERN-এ প্রথম ওয়েবসাইটও চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯১ সালের আগস্টে ওয়েব প্রকল্পটি বৃহত্তর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করে। ২৩ আগস্টকে এ কারণেই ইন্টারনট ডে হিসেবে স্মরণ করা হয়।

তবে ইন্টারনেট আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব একই জিনিস নয়। ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে সংযুক্ত নেটওয়ার্কের অবকাঠামো, আর ওয়েব হলো সেই নেটওয়ার্কের ওপর চলা আন্তঃসংযুক্ত ওয়েবপেজ ও তথ্যের ব্যবস্থা।

ওয়েব তৈরির ক্ষেত্রে বার্নার্স-লি এইচটিএমএল, এইচটিটিপি ও ইউআরএল-এর মতো মৌলিক প্রযুক্তি গড়ে তোলেন। এর ফলে একটি ওয়েবপেজ থেকে অন্য ওয়েবপেজে সহজে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে ওয়েব বিস্তৃত হতে থাকে।

ওয়েব উন্মুক্ত হওয়ার পর এর বিস্তার দ্রুত বাড়তে থাকে। প্রথমদিকে গবেষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক ব্যবহার হলেও পরবর্তী সময়ে ওয়েব ব্রাউজার, সার্চ ইঞ্জিন, ই-মেইল, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম প্রধান যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত হয়।

আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন কেনাকাটা, ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে শুরু করে ডিজিটাল সংবাদ সবকিছুর পেছনে ওয়েবের এই ঐতিহাসিক বিকাশের বড় ভূমিকা রয়েছে।

বিষয় : ইন্টারনট ডে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যে ঘটনার পর বদলে যায় পুরো পৃথিবী, সেই দিন আজ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আজ ২৩ আগস্ট। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে দিনটি পরিচিত ইন্টারনট ডে হিসেবে। প্রায় তিন দশকের বেশি সময় আগে এই দিনেই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পথ তৈরি হয়। আর সেই ঘটনাই বদলে দেয় মানুষের তথ্য খোঁজা, যোগাযোগ ও জ্ঞান আদান-প্রদানের পদ্ধতি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লির নাম। তিনি ১৯৮৯ সালে CERN-এ গবেষকদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি আন্তঃসংযুক্ত তথ্যব্যবস্থার প্রস্তাব দেন। পরে তিনি ওয়েবের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও কাঠামো তৈরি করেন।

১৯৯০ সালের শেষ দিকে প্রথম ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ব্রাউজার তৈরি হয়। CERN-এ প্রথম ওয়েবসাইটও চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯১ সালের আগস্টে ওয়েব প্রকল্পটি বৃহত্তর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করে। ২৩ আগস্টকে এ কারণেই ইন্টারনট ডে হিসেবে স্মরণ করা হয়।

তবে ইন্টারনেট আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব একই জিনিস নয়। ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে সংযুক্ত নেটওয়ার্কের অবকাঠামো, আর ওয়েব হলো সেই নেটওয়ার্কের ওপর চলা আন্তঃসংযুক্ত ওয়েবপেজ ও তথ্যের ব্যবস্থা।

ওয়েব তৈরির ক্ষেত্রে বার্নার্স-লি এইচটিএমএল, এইচটিটিপি ও ইউআরএল-এর মতো মৌলিক প্রযুক্তি গড়ে তোলেন। এর ফলে একটি ওয়েবপেজ থেকে অন্য ওয়েবপেজে সহজে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে ওয়েব বিস্তৃত হতে থাকে।

ওয়েব উন্মুক্ত হওয়ার পর এর বিস্তার দ্রুত বাড়তে থাকে। প্রথমদিকে গবেষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক ব্যবহার হলেও পরবর্তী সময়ে ওয়েব ব্রাউজার, সার্চ ইঞ্জিন, ই-মেইল, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম প্রধান যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত হয়।

আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন কেনাকাটা, ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে শুরু করে ডিজিটাল সংবাদ সবকিছুর পেছনে ওয়েবের এই ঐতিহাসিক বিকাশের বড় ভূমিকা রয়েছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত