ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান কোনো অঞ্চলে তেল বিক্রি করতে না পারলে সেখানে অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের পুরোনো একটি বক্তব্য পুনরায় প্রকাশ করে এ সতর্কবার্তা দেন তিনি।
গালিবাফ বলেন, বর্তমান যুদ্ধের সমীকরণ ‘হয় সবাই, নয়তো কেউ নয়’। অর্থাৎ ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা দেওয়া হলে একই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তেল বাণিজ্যও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেছিলেন, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ওই দাবির পরই গালিবাফ তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি থাকা উচিত নয়। ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আঞ্চলিক কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
এদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি দাবি অব্যাহত রয়েছে। ২৮ আগস্ট ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিটও প্রণালিটির ওপর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ থাকার দাবি করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জলপথটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ভিন্ন দাবি রয়েছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও পরিবহন ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গালিবাফের সর্বশেষ বক্তব্যে তাই হরমুজ প্রণালি ও আঞ্চলিক তেল বাণিজ্য নিয়ে তেহরানের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। তবে অন্য দেশগুলোর তেল রপ্তানি বন্ধ করতে ইরান কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
বিষয় : ইরান কেরানীগঞ্জেে তেল বিক্রি গালিবাফ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান কোনো অঞ্চলে তেল বিক্রি করতে না পারলে সেখানে অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের পুরোনো একটি বক্তব্য পুনরায় প্রকাশ করে এ সতর্কবার্তা দেন তিনি।
গালিবাফ বলেন, বর্তমান যুদ্ধের সমীকরণ ‘হয় সবাই, নয়তো কেউ নয়’। অর্থাৎ ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা দেওয়া হলে একই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তেল বাণিজ্যও বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেছিলেন, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ওই দাবির পরই গালিবাফ তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি থাকা উচিত নয়। ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আঞ্চলিক কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
এদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি দাবি অব্যাহত রয়েছে। ২৮ আগস্ট ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিটও প্রণালিটির ওপর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ থাকার দাবি করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জলপথটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ভিন্ন দাবি রয়েছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও পরিবহন ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গালিবাফের সর্বশেষ বক্তব্যে তাই হরমুজ প্রণালি ও আঞ্চলিক তেল বাণিজ্য নিয়ে তেহরানের অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। তবে অন্য দেশগুলোর তেল রপ্তানি বন্ধ করতে ইরান কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

আপনার মতামত লিখুন