আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টে বড় লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের অর্ধশতকে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ফলে জিততে আফগানিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান।
সোমবার (১২ অক্টোবর) টেস্টের চতুর্থ দিনে লিটন দাস ১০২ রান করে আউট হন। ১১৭ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ১৪টি চারে। ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাঁর বিদায়ের পরই ইনিংস ঘোষণা করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
লিটনের এই শতক ছিল আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও বড় উপলক্ষ। আবুধাবি টেস্টের আগে সর্বশেষ পাঁচ ইনিংসের চারটিতেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। এবার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন। সেঞ্চুরির পথে দুইবার জীবনও পান লিটন দুইবারই কাইস আহমেদের বলে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন তিনি।
লিটনকে দারুণ সঙ্গ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৪৯ রানের জুটি। মিরাজ ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। দিনের খেলা শুরুতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ২২৩ রান। সেখান থেকে লিটন-মিরাজের ব্যাটিংয়ে দলীয় স্কোর ৩৭২-এ পৌঁছায়।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করে। জবাবে আফগানিস্তান থেমে যায় ২৪০ রানে। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ পাঁচটি এবং এবাদত হোসেন চারটি উইকেট নেন। ফলে প্রথম ইনিংসেই ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৮ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশ এখন ম্যাচ জয়ের আশায়। আফগানিস্তানকে জিততে হলে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সফল রান তাড়ার রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে হবে। তবে ম্যাচের ফল নির্ভর করবে শেষ ইনিংসে আফগান ব্যাটারদের পারফরম্যান্সের ওপর।
বিষয় : নাজমুল হোসেন শান্ত লিটন দাস

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টে বড় লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের অর্ধশতকে ভর করে ৭ উইকেটে ৩৭২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ফলে জিততে আফগানিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রান।
সোমবার (১২ অক্টোবর) টেস্টের চতুর্থ দিনে লিটন দাস ১০২ রান করে আউট হন। ১১৭ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ১৪টি চারে। ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাঁর বিদায়ের পরই ইনিংস ঘোষণা করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
লিটনের এই শতক ছিল আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও বড় উপলক্ষ। আবুধাবি টেস্টের আগে সর্বশেষ পাঁচ ইনিংসের চারটিতেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। এবার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন। সেঞ্চুরির পথে দুইবার জীবনও পান লিটন দুইবারই কাইস আহমেদের বলে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন তিনি।
লিটনকে দারুণ সঙ্গ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৪৯ রানের জুটি। মিরাজ ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। দিনের খেলা শুরুতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ২২৩ রান। সেখান থেকে লিটন-মিরাজের ব্যাটিংয়ে দলীয় স্কোর ৩৭২-এ পৌঁছায়।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করে। জবাবে আফগানিস্তান থেমে যায় ২৪০ রানে। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ পাঁচটি এবং এবাদত হোসেন চারটি উইকেট নেন। ফলে প্রথম ইনিংসেই ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৮ রানের লিড নিয়ে বাংলাদেশ এখন ম্যাচ জয়ের আশায়। আফগানিস্তানকে জিততে হলে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সফল রান তাড়ার রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে হবে। তবে ম্যাচের ফল নির্ভর করবে শেষ ইনিংসে আফগান ব্যাটারদের পারফরম্যান্সের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন