রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন সচিবালয় নির্মাণের জন্য ৩১ দশমিক ৫১ একর জমিতে ১৪টি ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, নতুন সচিবালয়ে প্রায় ৩২ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।
বর্তমান সচিবালয়ে জায়গার সংকট, গাড়ি পার্কিংয়ের অসুবিধা এবং পুরোনো ভবনগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নতুন স্থানে সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছিল।
বর্তমান সচিবালয় এলাকায় নিম্ন আদালতের কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাবও স্থানান্তর আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। নতুন সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম এক জায়গায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা নতুন সচিবালয়

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন সচিবালয় নির্মাণের জন্য ৩১ দশমিক ৫১ একর জমিতে ১৪টি ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, নতুন সচিবালয়ে প্রায় ৩২ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।
বর্তমান সচিবালয়ে জায়গার সংকট, গাড়ি পার্কিংয়ের অসুবিধা এবং পুরোনো ভবনগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নতুন স্থানে সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর আগে বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছিল।
বর্তমান সচিবালয় এলাকায় নিম্ন আদালতের কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাবও স্থানান্তর আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। নতুন সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম এক জায়গায় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে

আপনার মতামত লিখুন