ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেছেন, কেউ রাস্তাঘাটে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ময়লা ফেলবে না। এটা আমরা একটা ম্যানেজমেন্টে নিয়ে আসতেছি। সেই ব্যবস্থাপনার মধ্যেই সবাইকে থাকতে হবে। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যেই জনদুর্ভোগ, ময়লার অব্যবস্থাপনা একটা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে চলে আসবে।
মঙ্গলবার (১১ মে) ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী, চুনকুটিয়া, জিনজিরা এলাকায় একযোগে ময়লা/আবর্জনা/বর্জ্য অপসারণে শুভাঢ্যা, আগানগর ও জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে পরিষ্কার অভিযানের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, আমাদের আজকের মেসেজ হচ্ছে, আমরা ময়লাগুলো অপসারণ করছি। এই মেসেজটুকু দিতে চাই সকলের জন্য, যারা ভবিষ্যতে ময়লা যত্রতত্রে রাস্তাঘাট, ফুটপাতে, নদী-খালে যে কোন জায়গায় কেউ যদি ফেলেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেব। পাশাপাশি আমরা এটাও বলতে চাচ্ছি, এখন থেকে আর কোন বলার সুযোগ নেই, তারা কেই জানচ্ছেন না বা বুঝতেছেন না। আমরা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি এবং পাশাপাশি আমরা আপনাদের মাধ্যমে সকলের উপস্থিততে জানাচ্ছি যে, কেউ রাস্তাঘাটে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ময়লা ফেলবে না। আমরা প্রাথমিকভাবে যেটা মনে করি যে, অসচেতনতা আসলে অসচেতনতা নয়। এটা হচ্ছে এক ধরনের আইনের প্রতি আপনার তোয়াক্কা না করা।
তিনি বলেন, তারা যত্রতভাবে ময়লা ফেলে যাচ্ছে অর্থাৎ তারা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে আসছে না। আমরা ইতিমধ্যেই একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি এবং পাশাপাশি প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এবং রাস্তাঘাটে আমরা সাইনবোর্ড টানাচ্ছি। আগামী দুই একদিনের মধ্যে সকল জায়গায় আপনারা দেখবেন সাইনবোর্ড আছে। কেউ বলতে পারবে না যে, আমি জানছি না বা আমি বুঝতেছি না। সো অসচেতনতার কোন ধরনের কথা বলার সুযোগ এখানে নেই। সবাই আমরা সচেতন।
এই নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা মনে করি আমাদের আজকের কর্মসূচিতে কেরানীগঞ্জবাসী আছেন। সবাই এ বিষয়ে সচেতন হবেন। সকলকে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। তাদের যে ময়লাগুলো আছে, সে ময়লাগুলো রাস্তাঘাটে, নদীতে খালে-বিলি না ফেলেন তার সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা একটা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে আসবো সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেছেন, কেউ রাস্তাঘাটে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ময়লা ফেলবে না। এটা আমরা একটা ম্যানেজমেন্টে নিয়ে আসতেছি। সেই ব্যবস্থাপনার মধ্যেই সবাইকে থাকতে হবে। আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যেই জনদুর্ভোগ, ময়লার অব্যবস্থাপনা একটা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে চলে আসবে।
মঙ্গলবার (১১ মে) ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী, চুনকুটিয়া, জিনজিরা এলাকায় একযোগে ময়লা/আবর্জনা/বর্জ্য অপসারণে শুভাঢ্যা, আগানগর ও জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে পরিষ্কার অভিযানের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, আমাদের আজকের মেসেজ হচ্ছে, আমরা ময়লাগুলো অপসারণ করছি। এই মেসেজটুকু দিতে চাই সকলের জন্য, যারা ভবিষ্যতে ময়লা যত্রতত্রে রাস্তাঘাট, ফুটপাতে, নদী-খালে যে কোন জায়গায় কেউ যদি ফেলেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেব। পাশাপাশি আমরা এটাও বলতে চাচ্ছি, এখন থেকে আর কোন বলার সুযোগ নেই, তারা কেই জানচ্ছেন না বা বুঝতেছেন না। আমরা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছি এবং পাশাপাশি আমরা আপনাদের মাধ্যমে সকলের উপস্থিততে জানাচ্ছি যে, কেউ রাস্তাঘাটে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ময়লা ফেলবে না। আমরা প্রাথমিকভাবে যেটা মনে করি যে, অসচেতনতা আসলে অসচেতনতা নয়। এটা হচ্ছে এক ধরনের আইনের প্রতি আপনার তোয়াক্কা না করা।
তিনি বলেন, তারা যত্রতভাবে ময়লা ফেলে যাচ্ছে অর্থাৎ তারা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে আসছে না। আমরা ইতিমধ্যেই একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি এবং পাশাপাশি প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এবং রাস্তাঘাটে আমরা সাইনবোর্ড টানাচ্ছি। আগামী দুই একদিনের মধ্যে সকল জায়গায় আপনারা দেখবেন সাইনবোর্ড আছে। কেউ বলতে পারবে না যে, আমি জানছি না বা আমি বুঝতেছি না। সো অসচেতনতার কোন ধরনের কথা বলার সুযোগ এখানে নেই। সবাই আমরা সচেতন।
এই নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা মনে করি আমাদের আজকের কর্মসূচিতে কেরানীগঞ্জবাসী আছেন। সবাই এ বিষয়ে সচেতন হবেন। সকলকে আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি। বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। তাদের যে ময়লাগুলো আছে, সে ময়লাগুলো রাস্তাঘাটে, নদীতে খালে-বিলি না ফেলেন তার সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা একটা সুশৃঙ্খলতার মধ্যে আসবো সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন