১৯ বছর বয়সে রূপ ও যৌবনকে ব্যবহার করে একাধিক বিয়ে, পরে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের টার্গেট করে অর্থ আত্মসাৎ এমন অভিযোগ এনে স্ত্রী তাসলিমা আক্তার রুমিসহ প্রতারণা চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শেখ রাসেল।
এ ঘটনায় আদালতে স্ত্রীসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তিনি।
আসামিরা হলেন: ১) তাসলিমা আক্তার রুমি, ২) ইমরান হোসেন, ৩) ময়না বেগম, ৪) কাজী আব্দুল বাতেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কেরানীগঞ্জের কদমতলীর লিটন টাওয়ারের ষষ্ঠ তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ রাসেল এই অভিযোগ করেন।
তিনি জানান, তাসলিমা আক্তার রুমিকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের সময় স্ত্রীর একটি আগের বিয়ের কথা জানলেও পরবর্তীতে আরও দুটি বিয়ের তথ্য জানতে পারেন বলে দাবি তার।শেখ রাসেলের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর প্রায় দুই বছর সংসার করলেও ছয় মাস পর থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। একপর্যায়ে স্ত্রীর একাধিক পুরুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি তার নজরে আসে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাসেল জানান, স্ত্রীর আনন্দ ও শখ পূরণে তিনি কোনো কার্পণ্য করেননি। দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও নিয়ে গেছেন। দিয়েছেন স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন উপহার।
তবে তার অভিযোগ, গত ২৯ জুলাই তাকে ফ্ল্যাটের টয়লেটে তালাবদ্ধ করে পরে ফ্ল্যাটেও তালা দিয়ে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান তার স্ত্রী।
এ ঘটনায় তাসলিমা আক্তার রুমি ছাড়াও ইমরান হোসেন, ময়না বেগম ও কাজী আব্দুল বাতেনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন শেখ রাসেল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।শেখ রাসেলের দাবি, এটি শুধু ব্যক্তিগত দাম্পত্য বিরোধ নয়; এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র রয়েছে। যারা সম্পর্ক ও বিয়েকে ব্যবহার করে বিত্তবান পুরুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
অভিযোগের ব্যাপারে তাসলিমা আক্তার রুমির বাবা রুহুল আমিন মুঠোফোনে ঢাকার কন্ঠকে জানায়: দুটি বিয়ে হয়েছে, এর পরে রাসেলের সাথে বিয়ে হয়েছে। আমার মেয়েকে এখনো খুঁজে পাচ্ছি না। তার একটু সমস্যা আছে, আমরা সবাই জানি।
অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
১৯ বছর বয়সে রূপ ও যৌবনকে ব্যবহার করে একাধিক বিয়ে, পরে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের টার্গেট করে অর্থ আত্মসাৎ এমন অভিযোগ এনে স্ত্রী তাসলিমা আক্তার রুমিসহ প্রতারণা চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শেখ রাসেল।
এ ঘটনায় আদালতে স্ত্রীসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তিনি।
আসামিরা হলেন: ১) তাসলিমা আক্তার রুমি, ২) ইমরান হোসেন, ৩) ময়না বেগম, ৪) কাজী আব্দুল বাতেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ১২টায় কেরানীগঞ্জের কদমতলীর লিটন টাওয়ারের ষষ্ঠ তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ রাসেল এই অভিযোগ করেন।
তিনি জানান, তাসলিমা আক্তার রুমিকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের সময় স্ত্রীর একটি আগের বিয়ের কথা জানলেও পরবর্তীতে আরও দুটি বিয়ের তথ্য জানতে পারেন বলে দাবি তার।শেখ রাসেলের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর প্রায় দুই বছর সংসার করলেও ছয় মাস পর থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ। একপর্যায়ে স্ত্রীর একাধিক পুরুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি তার নজরে আসে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রাসেল জানান, স্ত্রীর আনন্দ ও শখ পূরণে তিনি কোনো কার্পণ্য করেননি। দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও নিয়ে গেছেন। দিয়েছেন স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন উপহার।
তবে তার অভিযোগ, গত ২৯ জুলাই তাকে ফ্ল্যাটের টয়লেটে তালাবদ্ধ করে পরে ফ্ল্যাটেও তালা দিয়ে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে চলে যান তার স্ত্রী।
এ ঘটনায় তাসলিমা আক্তার রুমি ছাড়াও ইমরান হোসেন, ময়না বেগম ও কাজী আব্দুল বাতেনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন শেখ রাসেল।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাকে ভবিষ্যতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।শেখ রাসেলের দাবি, এটি শুধু ব্যক্তিগত দাম্পত্য বিরোধ নয়; এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র রয়েছে। যারা সম্পর্ক ও বিয়েকে ব্যবহার করে বিত্তবান পুরুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
অভিযোগের ব্যাপারে তাসলিমা আক্তার রুমির বাবা রুহুল আমিন মুঠোফোনে ঢাকার কন্ঠকে জানায়: দুটি বিয়ে হয়েছে, এর পরে রাসেলের সাথে বিয়ে হয়েছে। আমার মেয়েকে এখনো খুঁজে পাচ্ছি না। তার একটু সমস্যা আছে, আমরা সবাই জানি।
অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন