ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে উশৃঙ্খলভাবে বাইক রেসিংয়ের অভিযোগে মো. হৃদয় নামে এক বাইকারের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও অবৈধ বাইক রেসিং বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন বাইকার মো. হৃদয়। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘জিপি বাইকার গ্রুপ’ নামে একটি বাইকার গ্রুপের সদস্যরা উশৃঙ্খলভাবে বাইক রেসিং করার সময় হৃদয়ের মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন তারা।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধোলেশ্বর টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় নিহত হৃদয়ের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হৃদয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অবৈধ বাইক রেসিং বন্ধ, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত শব্দ নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে পুলিশি নজরদারি জোরদারের দাবি তোলা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানো ও রেসিংয়ের কারণে শুধু বাইকার নয়, সাধারণ পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের যাত্রীরাও ঝুঁকিতে পড়ছেন। ভবিষ্যতে যেন হৃদয়ের মতো আর কাউকে প্রাণ হারাতে না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনে নিহত হৃদয়ের পরিবারের সদস্য, এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে উশৃঙ্খলভাবে বাইক রেসিংয়ের অভিযোগে মো. হৃদয় নামে এক বাইকারের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও অবৈধ বাইক রেসিং বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন বাইকার মো. হৃদয়। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘জিপি বাইকার গ্রুপ’ নামে একটি বাইকার গ্রুপের সদস্যরা উশৃঙ্খলভাবে বাইক রেসিং করার সময় হৃদয়ের মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই হৃদয়ের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন তারা।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধোলেশ্বর টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় নিহত হৃদয়ের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হৃদয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অবৈধ বাইক রেসিং বন্ধ, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত শব্দ নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে পুলিশি নজরদারি জোরদারের দাবি তোলা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানো ও রেসিংয়ের কারণে শুধু বাইকার নয়, সাধারণ পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের যাত্রীরাও ঝুঁকিতে পড়ছেন। ভবিষ্যতে যেন হৃদয়ের মতো আর কাউকে প্রাণ হারাতে না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনে নিহত হৃদয়ের পরিবারের সদস্য, এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন