ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ । ০৪:৩৬ মিনিট

শিক্ষাবর্ষ শুরু, তবুও মেলেনি নতুন বই

শিক্ষাবর্ষ শুরু, তবুও মেলেনি নতুন বই

নতুন বছরে নতুন বইয়ের গন্ধে মুখর থাকার কথা স্কুল প্রাঙ্গণ। কিন্তু এবার সেই দৃশ্যের দেখা নেই চাঁদপুরে। ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষ শুরুর সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে, অথচ অনেক শিক্ষার্থী এখনো পায়নি বিনামূল্যের সরকারি নতুন পাঠ্যবই। এতে উদ্বিগ্ন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় বই নিতে এসে খালি হাতে ফিরছে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চার-পাঁচটি বই পেলেও কোনো বই পায়নি অষ্টম শ্রেণি ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলে, আমাদের নবম শ্রেণিতে বই এখনো দেওয়া হয়নি, যাতে আমাদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। ক্লাস শুরু হলেও বইয়ের অভাবে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছি না।

এদিকে, বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে না পেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা। আর সন্তানদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা অভিভাবকদের।

অভিভাবকরা জানান, ছাত্রছাত্রীরা বেশ কিছু বই এখনো পায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বইগুলো দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারবে। বছরের শুরুতে নতুন বইয়ের যে আনন্দ, সেটাই বাচ্চারা পাচ্ছে না।

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা বইগুলো পেয়ে যাব। এ ছাড়া পাঠ্যবই সংকটে ব্যাহত হবে না পাঠদান কার্যক্রম। প্রয়োজনে অনলাইন থেকে বই ডাউনলোড করে পড়ানোরও নির্দেশনা রয়েছে।

চাঁদপুর জেলায় মাধ্যমিকে মোট বইয়ের চাহিদা রয়েছে ৩১ লাখ ৯১ হাজার। যার বিপরীতে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বরাদ্দ মিলেছে মাত্র ১৫ লাখ ৩৭ হাজার, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪৭ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিক্ষাবর্ষ শুরু, তবুও মেলেনি নতুন বই

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নতুন বছরে নতুন বইয়ের গন্ধে মুখর থাকার কথা স্কুল প্রাঙ্গণ। কিন্তু এবার সেই দৃশ্যের দেখা নেই চাঁদপুরে। ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষ শুরুর সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে, অথচ অনেক শিক্ষার্থী এখনো পায়নি বিনামূল্যের সরকারি নতুন পাঠ্যবই। এতে উদ্বিগ্ন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় বই নিতে এসে খালি হাতে ফিরছে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চার-পাঁচটি বই পেলেও কোনো বই পায়নি অষ্টম শ্রেণি ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলে, আমাদের নবম শ্রেণিতে বই এখনো দেওয়া হয়নি, যাতে আমাদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। ক্লাস শুরু হলেও বইয়ের অভাবে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারছি না।

এদিকে, বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে না পেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা। আর সন্তানদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা অভিভাবকদের।

অভিভাবকরা জানান, ছাত্রছাত্রীরা বেশ কিছু বই এখনো পায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে বইগুলো দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারবে। বছরের শুরুতে নতুন বইয়ের যে আনন্দ, সেটাই বাচ্চারা পাচ্ছে না।

চাঁদপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা বইগুলো পেয়ে যাব। এ ছাড়া পাঠ্যবই সংকটে ব্যাহত হবে না পাঠদান কার্যক্রম। প্রয়োজনে অনলাইন থেকে বই ডাউনলোড করে পড়ানোরও নির্দেশনা রয়েছে।

চাঁদপুর জেলায় মাধ্যমিকে মোট বইয়ের চাহিদা রয়েছে ৩১ লাখ ৯১ হাজার। যার বিপরীতে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বরাদ্দ মিলেছে মাত্র ১৫ লাখ ৩৭ হাজার, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪৭ শতাংশ।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত