ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ । ১২:১৪ মিনিট

পল্লবীতে ধর্ষণের পরে শিশুকে হত্যা: ভুক্তভোগীর পরিবারকে যে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

পল্লবীতে ধর্ষণের পরে শিশুকে হত্যা: ভুক্তভোগীর পরিবারকে যে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী!
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার শিকার শিশুটির বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি সেখানে যান। এ সময় তার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শিশুটির বাবা ও তার মায়ের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলাপ আলোচনা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (০৮) মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।

মৃত রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়। এরপর রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করার আগে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। হৃদয় বিদারক এই ঘটনার থেকেই শিশুটিকে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই সরব হয়ে উঠেন।

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু ধর্ষণ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ রামিসা আক্তার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পল্লবীতে ধর্ষণের পরে শিশুকে হত্যা: ভুক্তভোগীর পরিবারকে যে আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার শিকার শিশুটির বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি সেখানে যান। এ সময় তার সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শিশুটির বাবা ও তার মায়ের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলাপ আলোচনা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

ভুক্তভোগী শিশু রামিসা আক্তার (৮) পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের (০৮) মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।

মৃত রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করা হয়। এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়। এরপর রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে থানায় এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করার আগে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। হৃদয় বিদারক এই ঘটনার থেকেই শিশুটিকে নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই সরব হয়ে উঠেন।



ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত