কানাডাপ্রবাসী এক নারীর অভিযোগ, অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায় তার প্রয়াত মায়ের নামে থাকা লকার থেকে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া ঘোষণাপত্র ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর লকারটি খোলা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, লকারটিতে ওই নারীর নিজের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং তার মায়ের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে কানাডায় যাওয়ার আগে নিজের গহনা মায়ের লকারে রেখে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তার মা মারা যাওয়ার পর ওই নারীর স্বাক্ষর জাল করে একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়। পরে সেটি ব্যাংকে জমা দিয়ে লকার পরিচালনার সুযোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। দেশে ফিরে গত ১২ আগস্ট বিষয়টি জানতে পারেন বলেও জানান ভুক্তভোগী। ঘটনায় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশের অভিযোগও করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার আগে মায়ের কাছে রেখে যাওয়া তার স্বাক্ষর করা চেক ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও করেছেন। এসব অভিযোগ নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, লকারের চাবি সাধারণত গ্রাহকের কাছেই থাকে। কীভাবে লকার খোলা হয়েছে এবং কীভাবে স্বর্ণ বের করা হয়েছে, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ওই সমঝোতার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার বোনও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ফলে ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে লিখিত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে তা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টতার ধরন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরে অগ্রণী ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদও দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের দাবি, লকারের নমিনি ফারজানা রহমানের ঘোষণাপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতেই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছিল এবং বিষয়টি পারিবারিক সমঝোতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই চূড়ান্তভাবে কী ঘটেছে, তা তদন্ত/আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কানাডাপ্রবাসী এক নারীর অভিযোগ, অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায় তার প্রয়াত মায়ের নামে থাকা লকার থেকে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া ঘোষণাপত্র ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর লকারটি খোলা হয়। মামলার নথি অনুযায়ী, লকারটিতে ওই নারীর নিজের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং তার মায়ের প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে কানাডায় যাওয়ার আগে নিজের গহনা মায়ের লকারে রেখে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তার মা মারা যাওয়ার পর ওই নারীর স্বাক্ষর জাল করে একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করা হয়। পরে সেটি ব্যাংকে জমা দিয়ে লকার পরিচালনার সুযোগ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। দেশে ফিরে গত ১২ আগস্ট বিষয়টি জানতে পারেন বলেও জানান ভুক্তভোগী। ঘটনায় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশের অভিযোগও করেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার আগে মায়ের কাছে রেখে যাওয়া তার স্বাক্ষর করা চেক ব্যবহার করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগও করেছেন। এসব অভিযোগ নিয়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, লকারের চাবি সাধারণত গ্রাহকের কাছেই থাকে। কীভাবে লকার খোলা হয়েছে এবং কীভাবে স্বর্ণ বের করা হয়েছে, তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী ওই সমঝোতার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার বোনও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ফলে ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে লিখিত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে তা যাচাই করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টতার ধরন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরে অগ্রণী ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদও দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের দাবি, লকারের নমিনি ফারজানা রহমানের ঘোষণাপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভিত্তিতেই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছিল এবং বিষয়টি পারিবারিক সমঝোতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই চূড়ান্তভাবে কী ঘটেছে, তা তদন্ত/আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

আপনার মতামত লিখুন