আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরা সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সংগঠনটির নিজস্ব অর্থায়নে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ডাবল ডেকার বাসের ব্যবস্থা করেছেন, যার মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
ছাত্রদল নেতারা বলছে, রাজধানী ঢাকায় অবস্থানরত অনেক শিক্ষার্থী প্রতি ঈদেই অতিরিক্ত ভাড়া, যানজট ও টিকিট সংকটের কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হন। সেই দুর্ভোগ লাঘব করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বাসটিতে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। ছাত্রদল নেতারা বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। ঈদে বাড়ি ফেরা যেন কষ্টের না হয়, সেজন্য আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এই পরিবহন ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট সংকট তাদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিবারের কাছে ফিরতে পারুক।
এদিকে ছাত্রদলের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, ঈদের সময় বাড়ি যাওয়ার টিকিট পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। ছাত্রদলের এই উদ্যোগ আমাদের জন্য অনেক উপকারী হয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প খরচে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারছি, এটা বড় স্বস্তির।
১৮ ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী মাফুজা আক্তার বলেন, মেয়েদের জন্য ঈদের যাত্রা অনেক সময় অনিরাপদ ও ভোগান্তির হয়। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা থাকায় আমরা অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফেরা সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সংগঠনটির নিজস্ব অর্থায়নে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ডাবল ডেকার বাসের ব্যবস্থা করেছেন, যার মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
ছাত্রদল নেতারা বলছে, রাজধানী ঢাকায় অবস্থানরত অনেক শিক্ষার্থী প্রতি ঈদেই অতিরিক্ত ভাড়া, যানজট ও টিকিট সংকটের কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হন। সেই দুর্ভোগ লাঘব করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বাসটিতে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থীকে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ। ছাত্রদল নেতারা বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী সবসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। ঈদে বাড়ি ফেরা যেন কষ্টের না হয়, সেজন্য আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এই পরিবহন ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট সংকট তাদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিবারের কাছে ফিরতে পারুক।
এদিকে ছাত্রদলের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, ঈদের সময় বাড়ি যাওয়ার টিকিট পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। ছাত্রদলের এই উদ্যোগ আমাদের জন্য অনেক উপকারী হয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প খরচে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারছি, এটা বড় স্বস্তির।
১৮ ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী মাফুজা আক্তার বলেন, মেয়েদের জন্য ঈদের যাত্রা অনেক সময় অনিরাপদ ও ভোগান্তির হয়। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক এমন একটি পরিবহন ব্যবস্থা থাকায় আমরা অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন