ইসলামিক বিধান অনুযায়ী চারটি বিয়ে করার পরও কাজীকে প্রভাবিত করে অর্থের বিনিময়ে আরও ২০ থেকে ২৫টি নাটকীয় বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর থানার কলতা বাজার এলাকার কুখ্যাত অপরাধী ব্রিক্সিস হান্নানের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে তিন শতাধিক মামলার আসামি হান্নান দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত। জেল থেকে মুক্তি পেয়ে নতুন করে বিয়ে করা এবং পুনরায় কারাগারে গেলে স্ত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া তার জীবনের নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
বুধবার (১০ জুন ) দুপুরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার বিটি টাওয়ারের কাছে এনআরবিসি ব্যাংকের সামনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হন ব্রিক্সিস হান্নান ও তার সহযোগী সাব্বির। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের আরও ৫ থেকে ৬ সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও পকেটমারির মাধ্যমে অপরাধজগতে প্রবেশ করা হান্নান বর্তমানে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে বের হওয়া গ্রাহকদের লক্ষ্য করে অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার মতো সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেই এসব কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছে বলে দাবি করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, “ব্রিক্সিস হান্নান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার অপরাধ সংঘটনের কৌশল ছিল অভিনব। তাকে এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, ঢাকার কণ্ঠে ধারাবাহিকভাবে অপরাধবিষয়ক সংবাদ প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে অভিযান পরিচালনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
ইসলামিক বিধান অনুযায়ী চারটি বিয়ে করার পরও কাজীকে প্রভাবিত করে অর্থের বিনিময়ে আরও ২০ থেকে ২৫টি নাটকীয় বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর থানার কলতা বাজার এলাকার কুখ্যাত অপরাধী ব্রিক্সিস হান্নানের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধে তিন শতাধিক মামলার আসামি হান্নান দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত। জেল থেকে মুক্তি পেয়ে নতুন করে বিয়ে করা এবং পুনরায় কারাগারে গেলে স্ত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া তার জীবনের নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
বুধবার (১০ জুন ) দুপুরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার বিটি টাওয়ারের কাছে এনআরবিসি ব্যাংকের সামনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হন ব্রিক্সিস হান্নান ও তার সহযোগী সাব্বির। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের আরও ৫ থেকে ৬ সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও পকেটমারির মাধ্যমে অপরাধজগতে প্রবেশ করা হান্নান বর্তমানে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে বের হওয়া গ্রাহকদের লক্ষ্য করে অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব লুটে নেওয়ার মতো সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেই এসব কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়েছে বলে দাবি করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, “ব্রিক্সিস হান্নান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার অপরাধ সংঘটনের কৌশল ছিল অভিনব। তাকে এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, ঢাকার কণ্ঠে ধারাবাহিকভাবে অপরাধবিষয়ক সংবাদ প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয়ভাবে অভিযান পরিচালনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন