ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : শনিবার, ২০ জুন ২০২৬। ০৩:৩৭ মিনিট

১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
ছবিঃ সংগ্রহীত

গত ১৭ বছর শিক্ষা ব্যবস্থাকে আওয়ামী লীগ বাজে অবস্থায় পরিণত করেছে। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।

 আজ শনিবার (২০ জুন)  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা ৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, 

পাশের হার বাড়ানোর জন্য তাদের কাছে ফেইল বলতে কোন শব্দ ছিলো না। মেধাবীদের মেধার বিবেচনা করা হতো না, গড় হারে সবাইকে পাশ দিতো। শিক্ষা ব্যবস্থাকে তারা এমন অবস্থা করেছিলো যে, বিদেশে গেলে আমাদের ছাত্রদের সার্টিফিকেট ছুড়ে ফেলে দেয়। মূল্যায়ন করা হয় না।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছর আমরা দেখেছি পাশের হার কমে এসেছে। সকালে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সার্টিফিকেট জোগার করে বড় বড় চাকরী জোগায় করা যায়, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত হওয়া যায় না। শিক্ষিত তখন হওয়া যায়, যখন তার অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যায় করা যায় এবং মানুষ তাকে দেখে ভালো কাজে আগ্রহী হয়। 

তিনি আরো বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় সার্টিফিকেট ছিলো না। তারপরেও তার কিন্তু জ্ঞানের ভান্ডার ছিলো। তাই প্রকৃত শিক্ষা সেটাই যেটা মানুষের জন্য, দেশের জন্য হয়। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নিপুন রায় বলেন, আজকের মেয়েদের ঘর সামলানের সাথে সাথে রাষ্ট্র সামলানোর দায়িত্ব নিতে হবে। প্রচলিত পুরুষ শাসিত সমাজ থেকে বের হয়ে নারীদের আগামী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। নারী শক্তি হবে কেরানীগঞ্জের সবচেয়ে বড় শক্তি৷

অনুষ্ঠানে কলেজটি সরকারি করনের জন্য শিক্ষার্থী এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের থেকে আহ্বান জানানো হয়। বিদায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোযাদ্দেদ আলী বাবু, থানা বিশেষ সদস্য নাজিম মাষ্টার, আগানগর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরসাদ রহমান সপু, ইমান উল্লাহ মস্তান, সামী উল্লাহসহ প্রমুখ।

বিষয় : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আওয়ামী লীগ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার অবনতি হয়েছে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

গত ১৭ বছর শিক্ষা ব্যবস্থাকে আওয়ামী লীগ বাজে অবস্থায় পরিণত করেছে। তারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।

 আজ শনিবার (২০ জুন)  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা ৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, 

পাশের হার বাড়ানোর জন্য তাদের কাছে ফেইল বলতে কোন শব্দ ছিলো না। মেধাবীদের মেধার বিবেচনা করা হতো না, গড় হারে সবাইকে পাশ দিতো। শিক্ষা ব্যবস্থাকে তারা এমন অবস্থা করেছিলো যে, বিদেশে গেলে আমাদের ছাত্রদের সার্টিফিকেট ছুড়ে ফেলে দেয়। মূল্যায়ন করা হয় না।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছর আমরা দেখেছি পাশের হার কমে এসেছে। সকালে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সার্টিফিকেট জোগার করে বড় বড় চাকরী জোগায় করা যায়, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত হওয়া যায় না। শিক্ষিত তখন হওয়া যায়, যখন তার অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যায় করা যায় এবং মানুষ তাকে দেখে ভালো কাজে আগ্রহী হয়। 

তিনি আরো বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় সার্টিফিকেট ছিলো না। তারপরেও তার কিন্তু জ্ঞানের ভান্ডার ছিলো। তাই প্রকৃত শিক্ষা সেটাই যেটা মানুষের জন্য, দেশের জন্য হয়। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নিপুন রায় বলেন, আজকের মেয়েদের ঘর সামলানের সাথে সাথে রাষ্ট্র সামলানোর দায়িত্ব নিতে হবে। প্রচলিত পুরুষ শাসিত সমাজ থেকে বের হয়ে নারীদের আগামী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। নারী শক্তি হবে কেরানীগঞ্জের সবচেয়ে বড় শক্তি৷

অনুষ্ঠানে কলেজটি সরকারি করনের জন্য শিক্ষার্থী এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের থেকে আহ্বান জানানো হয়। বিদায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোযাদ্দেদ আলী বাবু, থানা বিশেষ সদস্য নাজিম মাষ্টার, আগানগর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরসাদ রহমান সপু, ইমান উল্লাহ মস্তান, সামী উল্লাহসহ প্রমুখ।



ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত