ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬। ০২:০২ মিনিট

মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলমের দাপট এখন দেশজুড়ে!

মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলমের দাপট এখন দেশজুড়ে!

বাংলাদেশ জুড়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কারবারিদের নতুন চক্রের সন্ধান মিলছে। সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজী মাদক কারবারী ও তাদের গড ফাদারদের দাপটে দেশজুরে সাধারণ জনগনের ভোগান্তি যেন বেড়েই চলেছে। যখন যে ক্ষমতায় আসে তখন তারা সেই দলের পাওয়ার হিসেবে কাজ করে। এক সময় আওয়ামী লীগ এখন আবার বিএনপি! সরকারের ক্ষমতা পরবর্তন হয় কিন্তু  ফাদারদের ক্ষমতা একই থেকে যায়।  চিহ্নিত গডফাদারের নেতৃত্বে পরিচালিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি এ যেন ফাকা বুলি!

জাহাঙ্গীর আলম একটি নাম যেন চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের অভয়ারণ্য

এক সময় শুধু মাত্র নিজ এলাকা ফেনী তে সমালোচিত কুখ্যাত সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে যেন একটি ত্রাসে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিজে এলাকা ফেনি পেরিয়া বর্তমানে ঢাকা এর খিলগাঁও, রামপুরা, বনশ্রী, দক্ষিণ বনশ্রী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে বিভিন্ন মেয়েদেরকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করান।  এছাড়া ও সারাদেশে তাঁর অনৈতিক কাজের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত বলে যানা গেছে। সম্প্রতি মাদক বিরোধী অভিযানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোঁখের আড়ালে ছিলেন কিছুদিন। দল পরিবর্তন করে আবারো প্রকাশ্য মাঠে এসেছেন এবং আগের ছেয়ে বেশি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জরিয়ে পড়েছেন বলে এলাকার লোকমুখে শুনা যায়। নিজেই একজন মাদক ডিলার ও সেবনকারী আবার তিনি নিজেই মাদক নিরাময় কেন্দ্র করে মাদকাসক্ত মানুষের চিকিৎসা করেন। 

অর্থের বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিলেন মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলম

সম্প্রতি আগস্ট মাসের শুরুর দিকে ফেনী মডেল থানা এলাকায় ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ৫০ বোতল বিদেশি মদ, ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, তিন বোতল বিয়ার ও ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নেন মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলম। এ ব্যাপারে থানায় যোগাযোগ করা হলেও উদ্ধারের বিষয়ে কোনো তথ্য দেন নি পুলিশ। তবে অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ খবর হচ্ছে, পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে গভীর রাতে শের শাহরিয়ার হোসেন (২২), নাজমুল ইসলাম (২১), শহিদুল ইসলাম মন (৩৪), ইসমাইল হোসেন ইমন (২৬) ও মো. রুবেলকে (২৬)ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তার স্থলে অন্য এক আসামিকে কিছু পরিমাণ ইয়াবা দিয়ে চালান দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে!

ঢাকার খিলগাঁও জুড়েই মাদকের হাট!

কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মাদকের পাইকারী চালান নিয়ে বেচাকেনা করছে সোর্সরা মাদককে ঘিরেই নানা বিরোধ হচ্ছে, চলছে খুনোখুনি সি ব্লকে সিসি ক্যামেরা ও শান্তিপুরে এলার্ম বসিয়েই চলছে মাদক কেনাবেচা থানার বিশেষ সিন্ডিকেট চালায় এ মাদক বাজার। রাজধানীর খিলগাঁও থানা ঘেঁষেই রাজিবের মাদক ¯পট। বারবার গ্রেফতার করেও থামানো যাচ্ছে না তার মাদক বাজারটি। সেখানে রাত দিন চলছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল আর গাঁজা বেচাকেনা। থানা ভবনে দাঁড়িয়েই রাজিবের স্পটে মাদক কেনাবেচা ও নেশার দৃশ্যাবলি দেখতে পান পুলিশ কর্মকর্তারা। কিন্তু এসি, ওসির নির্দেশ না থাকায় সেখানে অভিযান চালাতে সাহস করেন না থানা পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা। থানার পেছন পাশে মাদক আখড়া গড়ে তোলার মূল হোতা জাহাঙ্গীর আলম। 

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার কেউই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। থানার এক কর্মকর্তা বলেন, অভিযান একটি রুটিন ওয়ার্ক। এক্ষেত্রে কাউকেই অহেতুক হয়রানি করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলম সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলমের দাপট এখন দেশজুড়ে!

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জুড়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কারবারিদের নতুন চক্রের সন্ধান মিলছে। সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজী মাদক কারবারী ও তাদের গড ফাদারদের দাপটে দেশজুরে সাধারণ জনগনের ভোগান্তি যেন বেড়েই চলেছে। যখন যে ক্ষমতায় আসে তখন তারা সেই দলের পাওয়ার হিসেবে কাজ করে। এক সময় আওয়ামী লীগ এখন আবার বিএনপি! সরকারের ক্ষমতা পরবর্তন হয় কিন্তু  ফাদারদের ক্ষমতা একই থেকে যায়।  চিহ্নিত গডফাদারের নেতৃত্বে পরিচালিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি এ যেন ফাকা বুলি!

জাহাঙ্গীর আলম একটি নাম যেন চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের অভয়ারণ্য

এক সময় শুধু মাত্র নিজ এলাকা ফেনী তে সমালোচিত কুখ্যাত সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে যেন একটি ত্রাসে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিজে এলাকা ফেনি পেরিয়া বর্তমানে ঢাকা এর খিলগাঁও, রামপুরা, বনশ্রী, দক্ষিণ বনশ্রী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে বিভিন্ন মেয়েদেরকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করান।  এছাড়া ও সারাদেশে তাঁর অনৈতিক কাজের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত বলে যানা গেছে। সম্প্রতি মাদক বিরোধী অভিযানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোঁখের আড়ালে ছিলেন কিছুদিন। দল পরিবর্তন করে আবারো প্রকাশ্য মাঠে এসেছেন এবং আগের ছেয়ে বেশি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জরিয়ে পড়েছেন বলে এলাকার লোকমুখে শুনা যায়। নিজেই একজন মাদক ডিলার ও সেবনকারী আবার তিনি নিজেই মাদক নিরাময় কেন্দ্র করে মাদকাসক্ত মানুষের চিকিৎসা করেন। 

অর্থের বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিলেন মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলম

সম্প্রতি আগস্ট মাসের শুরুর দিকে ফেনী মডেল থানা এলাকায় ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামিসহ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ৫০ বোতল বিদেশি মদ, ১০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, তিন বোতল বিয়ার ও ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নেন মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর আলম। এ ব্যাপারে থানায় যোগাযোগ করা হলেও উদ্ধারের বিষয়ে কোনো তথ্য দেন নি পুলিশ। তবে অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ খবর হচ্ছে, পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে গভীর রাতে শের শাহরিয়ার হোসেন (২২), নাজমুল ইসলাম (২১), শহিদুল ইসলাম মন (৩৪), ইসমাইল হোসেন ইমন (২৬) ও মো. রুবেলকে (২৬)ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তার স্থলে অন্য এক আসামিকে কিছু পরিমাণ ইয়াবা দিয়ে চালান দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে!

ঢাকার খিলগাঁও জুড়েই মাদকের হাট!

কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে মাদকের পাইকারী চালান নিয়ে বেচাকেনা করছে সোর্সরা মাদককে ঘিরেই নানা বিরোধ হচ্ছে, চলছে খুনোখুনি সি ব্লকে সিসি ক্যামেরা ও শান্তিপুরে এলার্ম বসিয়েই চলছে মাদক কেনাবেচা থানার বিশেষ সিন্ডিকেট চালায় এ মাদক বাজার। রাজধানীর খিলগাঁও থানা ঘেঁষেই রাজিবের মাদক ¯পট। বারবার গ্রেফতার করেও থামানো যাচ্ছে না তার মাদক বাজারটি। সেখানে রাত দিন চলছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল আর গাঁজা বেচাকেনা। থানা ভবনে দাঁড়িয়েই রাজিবের স্পটে মাদক কেনাবেচা ও নেশার দৃশ্যাবলি দেখতে পান পুলিশ কর্মকর্তারা। কিন্তু এসি, ওসির নির্দেশ না থাকায় সেখানে অভিযান চালাতে সাহস করেন না থানা পুলিশের অন্য কর্মকর্তারা। থানার পেছন পাশে মাদক আখড়া গড়ে তোলার মূল হোতা জাহাঙ্গীর আলম। 

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, মাদক সম্রাটদের কাছ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার কেউই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। থানার এক কর্মকর্তা বলেন, অভিযান একটি রুটিন ওয়ার্ক। এক্ষেত্রে কাউকেই অহেতুক হয়রানি করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত